৬ মালিকানা লাভের দ্বিতীয় উপায়
6 The Second Means Of Ownership
সম্পদের মালিকানা লাভের আরেকটি উপায় হলো উত্তরাধিকার, যা কুরআনের সুনিশ্চিত (কাত‘ঈ) বক্তব্য দ্বারা প্রতিষ্ঠিত, এবং এর কিছু সুনির্দিষ্ট আক্ষরিক বিধান রয়েছে যা যুক্তিবিচারের অধীন নয়। যদিও কুরআন উত্তরাধিকারের বিস্তারিত বিধান বর্ণনা করেছে, তবুও এই বিস্তারিত বিধানগুলো সাধারণ নির্দেশনা। আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) বলেন,
Another means of property ownership is inheritance, which is established by the definite (Qat’i) text of the Qur’an, and it has certain literal rules which are not subject to reasoning. Although the Qur’an has stated the details of inheritance, these detailed rules are general guidelines. Allah (swt) says,
“তোমাদের সন্তানদের (উত্তরাধিকার) সম্পর্কে আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন: পুত্রের জন্য দুই কন্যার অংশের সমান, আর যদি (সন্তানেরা) নারী হয় এবং দুইজনের বেশি হয়, তবে তাদের জন্য উত্তরাধিকারের দুই-তৃতীয়াংশ।” [আন-নিসা: ১১] আমরা তাঁর এই বাণী থেকে অনেক বিধান বুঝতে পারি। আমরা বুঝি যে পুত্র সন্তান কন্যা সন্তানের দ্বিগুণ গ্রহণ করে। আমরা আরও বুঝি যে (জীবিত) সন্তান না থাকলে পুত্রের সন্তানকে সন্তানের মতোই গণ্য করা হয়, কারণ পুত্রের সন্তানেরা ‘সন্তান’ শব্দের অন্তর্ভুক্ত। এর বিপরীত হলো কন্যার সন্তান, যারা (জীবিত) সন্তান না থাকলে পুত্রের সন্তানের মতো গণ্য হয় না। কারণ কন্যার সন্তানেরা ভাষাগতভাবে ‘সন্তান’ শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়। আমরা আরও বুঝি যে, সন্তানেরা যদি নারী হয় এবং সংখ্যায় দুইজনের বেশি হয়, তবে তারা উত্তরাধিকারের দুই-তৃতীয়াংশ ভাগ করে নেয়। নবী (ﷺ) দুই কন্যার জন্য দুইজনের বেশি কন্যার সমান অংশ নির্ধারণ করেছেন, এবং এ বিষয়ে সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) ইজমা (ঐকমত্য) করেছেন। সুতরাং দুই কন্যার ক্ষেত্রে যে বিধান, দুইজনের বেশি কন্যার ক্ষেত্রেও সেই একই বিধান। এই বিধানগুলো আয়াতের সাধারণ অর্থ থেকে বোঝা গেছে। এই বিধান অনুযায়ী উত্তরাধিকারী তার উত্তরাধিকারের অংশ পাওয়ার যোগ্য। এভাবে সম্পদের মালিকানা লাভের একটি উপায় হলো উত্তরাধিকার, যার বিধানগুলো কুরআন, সুন্নাহ এবং সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)-এর ইজমায় বিস্তারিতভাবে বর্ণিত আছে।