৯.৪ সামরিক বিষয়ে ও ইসলামে সেনাবাহিনী গঠন ও প্রশিক্ষণ (Culturing the army)
9.4 Culturing the army in military and Islam
সেনাবাহিনীর জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের সামরিক শিক্ষা অবশ্যই সহজলভ্য হতে হবে। সেনাবাহিনীর বুদ্ধিবৃত্তিক মান যতটা সম্ভব উন্নত করতে হবে। এর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর প্রতিটি ব্যক্তিকে ইসলামি সংস্কৃতি অর্জন করতে হবে, যা তাকে সাধারণ আকারে হলেও ইসলম সম্পর্কে সচেতন হতে সক্ষম করে।
The highest level of military education has to be available to the army. The intellectual level in the army has to be raised as much as possible. In addition to that every individual in the army has to attain Islamic culture that enables Him to be aware about Islam even if in a general form.
তবে সামরিক শিক্ষা প্রতিটি সেনাবাহিনীর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, এবং তা ছাড়া কোনো সেনাবাহিনীর পক্ষে যুদ্ধ পরিচালনা সম্ভব নয়, আর প্রশিক্ষিত না হলে সে যুদ্ধক্ষেত্রেও অবতীর্ণ হতে পারে না। সুতরাং "যা ছাড়া কোনো ওয়াজিব পালন করা সম্ভব নয়, সেটিও স্বয়ং ওয়াজিব" - এই মূলনীতি অনুযায়ী এটি ওয়াজিব হয়ে দাঁড়ায়। ইসলামি সংস্কৃতির ক্ষেত্রে, ইসলামের দায়িত্বসমূহ পালনের জন্য যা আবশ্যক তা শেখা প্রতিটি মুসলিমের উপর ফরয, আর ইসলামি জ্ঞানের আরও উচ্চস্তর অর্জন করা ফরয কিফায়া। এর দলিল হলো আল-বুখারি ও মুসলিম মুআবিয়া (রাযি.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি নবী ﷺ-কে বলতে শুনেছি: 'আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দীনের জ্ঞান দান করেন...'" এটি দা'ওয়াহ পৌঁছানোর জন্য দেশ জয়কারী সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যেমন প্রত্যেক মুসলিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যদিও সেনাবাহিনীর জন্য এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ। তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক স্তর উন্নত করার বিষয়ে বলা যায়, এটি এমন এক ধরনের সচেতনতা যা দীন ও জীবনের বিষয়াদি উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজনীয়। সম্ভবত নবী ﷺ-এর এই কথাটি...